দুর্গাসাগর সাগর বা উপসাগর নয়, তবুও নামে এগুলো সাগর। একটা নয় এমন চারটি ‘সাগর’ হচ্ছে রামসাগর, ধর্মসাগর, নীলসাগর আর দুর্গাসাগর। চারটিই বিশালাকার দিঘি। দিঘির এ মাথা-ও মাথার দূরত্বও বেশ। রামসাগর দিনাজপুরে। শহর থেকে সাত-আট কিলোমিটার দূরে রামসাগর দিঘি। কান্তজির মন্দিরের নির্মাতা রাজা রামনাথ ১৭৫০ থেকে ১৭৫৫ সালে খনন করেছিলেন রামসাগর। এর আয়তন পাঁচ লাখ ৪২ হাজার ৭০৭ বর্গ গজ।

ধর্মসাগর কুমিল্লায়। একেবারে শহরের মাঝখানে। জানা যায়, আনুমানিক ২০০ থেকে ২৫০ বছর আগে এটি খনন করেছিলেন রাজা ধর্মপাল।

বরিশাল শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে দুর্গাসাগর। এটি খনন করা হয় ১৭৯০ সালে। এই দিঘির মাঝখানে আছে দ্বীপের মতো একটা জায়গা। সেখানে বড় বড় বৃক্ষরাজির সমাহার। নানা রকমের পাখিও দেখা যায় দুর্গাসাগরে।

নীলসাগর নীলফামারি জেলায়। শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে। এই দিঘির পাড়েই আছে টিলা।

নেত্রকোণার বিরিশিরি
সোমেশ্বরী নদীর স্বচ্ছ পানি, লাল বালির সৌন্দর্যই টেনে নিয়ে যায় বিরিশিরিতে। নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় বিরিশিরির পাশেই বিজয়পুরে আছে চীনামাটির পাহাড়। বিরিশিরিতে বাস করেন গারো, হাজং, মান্দাই, বানাই, কেটি ইত্যাদি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। টঙ্ক আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত দুর্গাপুর।
ময়মনসিংহ নেত্রকোণা সড়ক ধরে শ্যামগঞ্জ বাজার থেকে বাঁয়ের রাস্তা ধরে যেতে হবে বিরিশিরি। ময়মনসিংহ থেকে ৩৬ কিলোমিটার দূরের বিরিশিরি যেতে গাড়িতে সময় লাগবে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা। বাসে গেলে লাগবে আরও বেশি সময়।

%d bloggers like this: